মাশরুম চাষ কি - বাড়িতে মাশরুম চাষের বিস্তারিত জানুন

মাশরুম চাষ কি এবং বাড়িতে মাশরুম চাষ কিভাবে করা যায় আপনি কি জানেন। যদি না জানেন তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য । আমাদের এই পোস্টটি পড়ে জানতে পারবেন মাশরুম চাষ কি এবং বাড়িতে মাশরুম চাষ কিভাবে করা যায়। তাহলে আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তাহলে জানতে পারবেন মাশরুম চাষ কি এবং বাড়িতে মাশরুম চাষ কিভাবে করা যায় ।



সূচিপত্র ঃমাশরুম চাষ কি - বাড়িতে মাশরুম চাষ   

  • মাশরুম চাষ 
  • মাশরুম চাষ কি
  • মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ
  • মাশরুম চাষের পদ্ধতি 
  • মাশরুম চাষের জন্য পুঁজি
  • মাশরুম চাষের ঝুঁকি
  • মাশরুমের বীজ 
  • মাশরুমের উপকারিতা
  • মাশরুম চাষের উপকরণ
  • মাশরুমের দাম ও মাশরুম কোথায় বিক্রি হয় ।

মাশরুম চাষ

মাশরুম একটি অতি পুষ্টিকর সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার। মাশরুমে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান সেগুলো হল ভিটামিন,প্রোটিন, এসিড এন্টিবায়োটিক ও এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটি অনেক পুষ্টিকর খাবার হওয়ায় এটা আমাদের দেশে সবার কাছে অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আমাদের দেশের বিভিন্ন ফাস্টফুট জাতীয় খাদ্যের তৈরি করতে মাশরুম ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের চাইনিজ রেস্টুরেন্টে মাশরুমের তৈরি বিভিন্ন খাবার ব্যবহার করা হয় ।

আমাদের দেশে বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যিকভাবে মাশরুমে চাষ করা হয়। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষিত যুবকেরা মাশরুম চাষ করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। তাছাড়া বাংলাদেশের অনেক গৃহিণী মাশরুম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছে। মাশরুম চাষ বাণিজ্যিকভাবে এবং ঘরোয়া ভাবে করা হয়ে থাকে।এটা শিক্ষিত যুবকদের জন্য বেকারত্বহীনতা দূর করার একটা বড় উপায়।যেকোনো কাজ করার পাশাপাশি মাশরুম চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া যায়। এবং বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাশরুম চাষ অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। 

মাশরুম চাষ কি 

মাশরুম একটি ঔষধি এবং পুষ্টিকর সবজী। বাংলাদেশের আবহাওয়া মাশরুম চাষ করার জন্য অনেক উপযোগী। আমরা খুব অল্প পুজিতে এবং কম খাটনিতে মাশরুম চাষ করতে পারি। মাশরুম চাষ করার জন্য যে সমস্ত উপকরণ লাগে সেগুলো আমরা অল্প খরচে এবং বিনামূল্যে পেয়ে থাকি সেগুলো হলো আখের ছোবলা , ধানের খর , কাঠের গুড়া , যেগুলো আমরা অল্প দামে পেয়ে থাকি । মাশরুম এমন এক ধরনের সবজি যেটা ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে পাওয়া যায় ।

যেটা আর অন্য কোন সবজিতে পাওয়া সম্ভব নয় । যেহেতু বাড়িতে মাশরুম চাষ করা যায় সেজন্য কোন জমির প্রয়োজন হয় না । ঘরের ভিতরে মাচা করে কিংবা দড়ি দিয়ে রেক তৈরি করে বা বাশের সাথে টাঙ্গিয়ে মাশরুমে চাষ করা যায় । ছায়াযুক্ত স্থানে এবং যেখানে বৃষ্টির পানি পড়ে না এমন স্থানের মাশরুম চাষ করা যায়। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালের জন্য স্ট্র মাশরুম চাষ করা হয় এবং শীতকালের জন্য ওয়েস্টার মাশরুম চাষ করা হয়। শীতকালে অন্ধকার ও স্যাঁতে সেঁতে জায়গাতে মাশরুম চাষ করা হয়। 

মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ

মাশরুম চাষ যেহেতু একটি সহজ এবং স্বল্প সময়ের চাষ করা যায় সেজন্য স্বল্প মেয়াদে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় । মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ সরকারি এবং বেসরকারিভাবে দেওয়া হয় । বেসরকারিভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আর সরকারিভাবে ঢাকার সাভারে মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় । সাভারে ছাড়াও ১৬ টি সাব সেক্টরে মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় । চারমেয়াদি মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় ৩দিন ,৫দিন ,১৪ দিন , ৬০ দিন ।

 প্রাথমিকভাবে যারা তিন দিনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে মাশরুম চাষ শুরু করবে পরবর্তীতে তারা পাঁচ দিন ১৪ দিন এবং ৬০ দিনের প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবে। আবেদনের জন্য তাদেরকে মাধ্যমিক পাস করতে হবে ।এবং যারা ৬০ দিনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে তাদের সরকারিভাবে বিনা খরচে খাওয়া দাওয়া এবং আবাসিকে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। আর প্রশিক্ষণ শেষে যারা ভালো ফলাফল করে তাদেরকে পুরস্কার দেওয়া হয় এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার জন্য তাদের ভাতা বাবদ ১৫০০০ টাকা প্রদান করা হয় । এবং পরবর্তীকালে মাশরুম চাষ করতে গিয়ে যদি কোন সমস্যায় পড়ে সেই সমস্যার সমাধান করার জন্য তাদের থেকে পরামর্শ দেয়া হয়।

মাশরুম চাষের পদ্ধতি

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন মাশরুম চাষের পদ্ধতি কি যদি না জানেন আপনার জন্যই আমাদের এই পোস্টটি । আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে এই পোস্টটি পড়েন তাহলে বুঝতে পারবেন মাশরুম চাষের পদ্ধতি কি? মাশরুম চাষের জন্য প্রথমে ধানের খড়গুলোকে আধা ইঞ্চি বা এক ইঞ্চি করে কেটে নিতে হবে।তারপরে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গরম পানি ফুটিয়ে তাতে ২০ মিনিট রাখতে হবে । তা না হলে ব্রোকিং সোডা বা চুন মিশানো পানিতে চব্বিশ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে ।

২৪ ঘন্টার পর চটের বস্তায় করে রেখে দিতে হবে। যাতে পানি ঝরে যায়। এমন ভাবে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে যাতে বোঝা না যায় পানি আছে কিন্তু হাত দিয়ে চাপ দিলে হাতে পানির একটা ভেজা ভাব থাকে । তারপরে একটি বড় পলিব্যাগে ২ ইঞ্চি পরিমাণ খড় দিয়ে ভর্তি করতে হবে। তারপরে মাশরুমের বিজ খরের চারপাশ দিয়ে দিতে হবে। তারপরে আবার দুই ইঞ্চি পর্যন্ত খড় দিতে হবে তারপর আবার মাশরুমের বীজ দিতে হবে । এভাবে .৭-৮ টি স্তর করতে হবে। তারপরে শেষে ভালো করে হাত দিয়ে চেপে দিতে হবে যাতে ভিতরে বাতাস না থাকে।

তারপরে ভালোভাবে পলিব্যাগের মুক্তি বাঁধতে হবে। তারপরে পলিব্যাগের গায়ে ১০ থেকে ১২ টা ছিদ্র করে দিতে হবে যাতে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে । আর ছিদ্র করা স্থানে তুলা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে যাতে ধুলাবালি না প্রবেশ করতে পারে। তারপরে পলিব্যাগ গুলোকে অন্ধকার একটি স্থানে সাত থেকে দশ দিনের জন্য রেখে দিতে হবে । খেয়াল রাখতে হবে যে অন্ধকার ঘরটিতে মাশরুম রাখা হবে সে ঘরে যাতে মাছি না থাকে। আর ঘর থেকে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

মাশরুমের পলিব্যাগ গুলো যখন ১০ থেকে ১৫ দিন অন্ধকার ঘরে থাকবে তখন বীজের চারপাশে সাদা আস্তরণ দেখা যাবে তখন তাকে মাইলেসিস বলে ঘুমাও।তখন পলিব্যাগে আরো কয়েকটি করে ছিদ্র করে দিতে হবে। তারপরে পলিব্যাগ গুলোকে আলোয় রাখতে হবে কিন্তু সরাসরি রোদে নয়। এমন আলোয় রাখতে হবে যাতে মাশরুমের পলিব্যাগে রোদের তাপমাত্রা বেশি না লাগে। তারপরে ১৫ থেকে২০ দিনের মধ্যে অলিবেগের ছিদ্র দিয়ে পিন হেড বের হবে তখন নিয়মিত পানি দিয়ে স্প্রে করে দিতে হবে তারপর ২৫ থেকে ৩০ দিনেই মাশরুম খাওয়ার উপযোগী হয়ে যায় । 

কে পাঠক আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে এই পোস্টটি পড়েন তাহলে মাশরুম চাষের সঠিক পদ্ধতি গুলো জানতে পারবেন এবং কিভাবে মাশরুম চাষ করলে আপনি লাভবান হবেন এ বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার নিজের সম্পূর্ণ ধারণা থেকে যাবে।

মাশরুম চাষের জন্য পুঁজি

যেহেতু মাশরুম চাষের জন্য অতিরিক্ত কোন জমির প্রয়োজন হয় না । সেহেতু বেশি অর্থের প্রয়োজন হয় না কারণ বাড়ির ভেতরে কিংবা বাড়ির আশেপাশের বাশেঁর মাচা বা রেক ঝুলিয়ে অথবা বেঁধে রাখা হয়। সেজন্য আমাদের বাঁশ কেনার প্রয়োজন হয় এবং মাশরুমের বিজ কেনার জন্য অর্থের প্রয়োজন হয় । আর পলিব্যাগ  ধানের খড় কাঠের গোড়া এগুলো কিনতে টাকার প্রয়োজন হয় সেই জন্য পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা থাকলে মাশরুম চাষ করা যায় । সেজন্য আমরা বলতে পারি মাশরুম চাষের জন্য অল্প অর্থের প্রয়োজন হয় সে হতো মাশরুম চাষের জন্য পুঁজি কম হলেও হবে

মাশরুম চাষের ঝুঁকি

প্রিয় পাঠক আমরা সকলেই কোন কিছু করার আগে দেখি সে বিষয়টিতে ঝুঁকি কেমন । কিন্তু মাশরুম চাষের ঝুঁকি নেই বললেই চলে। কেননা মাশরুম ঘরে চাষ করা হয় সেহেতু বিভিন্ন রকমের দুর্যোগ যেমন ঝড়-বৃষ্টি এবং অতিরিক্ত রোদের কোন ক্ষতি হয় না আর মাশরুম চাষের জন্য অধিক অর্থের প্রয়োজন হয় না সেই জন্য মাশরুম চাষের ঝুঁকি নেই বললেই চলে। আর মাশরুম চাষের জন্য ভারী কোন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় না যেটা আমাদের জন্য বিপদজনক।

মাশরুমের বীজ

আমরা অনেকেই জানিনা মাশরুমের বীজ কোথায় পাওয়া যায়। আর মাশরুমের বীজের দাম কত? আমাদের দেশে বিভিন্ন জাতের মাশরুম বীজ পাওয়া যায়। আর জাত হিসেবে বীজের দাম ভিন্ন হয়। প্রতি কেজি দাম ১০০ টাকা ১৫০ টাকা ২০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। মাশরুমের বীজ আমরা বাড়িতে তৈরি করতে পারি । আবার অন্য কোথাও থেকে কিনতেও পারি। বাড়িতে তৈরি করার জন্য আমাদের যে কাজটি করতে হবে সেটি হল প্রথমে আমাদের বাজার থেকে পরিষ্কার ও পোকামাকড়মুক্ত গম,ভুট্টা কিনতে হবে।

আমরা গম যখন বাজার থেকে কিনে আনব তখন বাড়িতে এনে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে তারপরে গ্যাসের চুলাতে কিংবা মাটির চুলায় কাঠ দিয়ে হিট দিতে হবে ।গম সিদ্ধ হওয়ার পরে বেশি ফেটে না যায় কারণ গম যদি বেশি ফেটে যায় তাহলে স্পনের কোয়ালিটি নষ্ট হয়ে যাবে সেজন্য সিদ্ধ করার সময় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ভালো জাতের গুম হলে এক ঘন্টার মধ্যেই সিদ্ধ হয়ে যাবে সিদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে এবং গরম পানি ঢেলে ফেলতে হবে।

তারপরে গমগুলো ঢেলে দেওয়ার জন্য একটা পলিথিন ছিট বেঁধে গম গুলোকে ঢেলে দিতে হবে এবং উপরে ফ্যান চালু করে দিতে হবে যাতে গমগুলো ঠান্ডা হয়ে যায়। তারপরে গমের সাথে ক্যালসিয়াম কার্বনেট ক্যালসিয়াম সালফেট । ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিতে হবে প্রতি কেজিতে১৫ গ্রাম এবং ক্যালসিয়াম সালফেট দিতে হবে প্রতি কেজিতে ৫ গ্রাম তারপরে তারপরে গমকে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এখন গম গুলোকে পলিব্যাগে ভর্তি করতে হবে সাত থেকে আটটি পলিব্যাগে ভর্তি করতে হবে পরে আর একটা পলিব্যাগে ভর্তি করতে হবে ।

তারপরে পলিব্যাগের মুক্তি কটন দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। এরপরে ব্রিজের প্যাকেট টিকে জীবাণমুক্ত করতে হবে সেজন্য প্রেসার কুকারে পানি ঢেলে 40 মিনিট গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখতে হবে তারপর প্রেসার কুকার টিকে চুলা থেকে নামাতে হবে এবং কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। তারপরে প্রেসার কুকার থেকে প্যাকেটগুলো আস্তে আস্তে বাহির করতে হবে এবং সঠিকভাবে রেখে দিতে হবে তাহলে আমরা এভাবেই বাড়িতে মাশরুমের বীজ তৈরি করতে পারি।

মাশরুমের উপকারিতা

মাশরুমের উপকারিতা অনেক আমরা সকলেই মাশরুমের উপকারিতা সম্পর্কে জানিনা । যারা মাসুমের উপকারিতা সম্পর্কে জানেন না আজকের এই পোস্টটি আপনাদের জন্য। মাশরুমে রয়েছে বিভিন্ন প্রকার পুষ্টি উপাদান যেমন ভিটামিন বি ডি পটাশিয়াম সোডিয়াম কার্বনেট আরো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মাশরুমের উপকারিতা অনেক । মাশরুমে রয়েছে কোলিন নামক পুষ্টি উপাদান যে আমাদের পেশী এবং মস্তিষ্কের বুদ্ধি বৃদ্ধিতে কাজ করে । মাশরুম এন্টি অক্সিডেন্ট ভরপুর থাকে । মাশরুম বার্ধক্য রোগের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে। এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে ।

মাশরুম চাষের উপকরণ

মাশরুম চাষ করতে যে সকল উপকরণগুলো লাগে সেগুলো আমরা খুব সহজে এবং হাতের কাছে পেয়ে থাকি। মাশরুম চাষের উপকরণ গুলো হল ধানের খড়, গমের ভুসি , পলিব্যাগ কটন এবং বাঁশ।ঘরের উষ্ণতা ও আদ্রতা পরিমাপ করার জন্য হেড স্প্রে এবং ঘরের আদ্রতা এবং উষ্ণতা করে মাপার জন্য হাইগোমিটার। জীবাণুনাশক ব্লেড ছুরি এবং পানি রাখার জন্য বালতি গামলা এবং প্রয়োজনীয় কিছু উপকরণ আমরা আমাদের প্রয়োজন মতো রাখতে পারি ।

মাশরুমের দাম ও মাশরুম  কোথায় বিক্রি হয় 

আমরা যারা মাশরুম চাষ করার জন্য আগ্রহী তাদের অনেকের মনে প্রশ্ন জেগে থাকে মাশরুমের দাম ও কোথায় বিক্রি হয় । মাশরুম গ্রামের থেকে শহরে বেশি প্রচলিত শহরের বিভিন্ন প্রকার খাদ্যের সাথে মাশরুম ব্যবহার করা হয় শহরের বিভিন্ন বাজারে কেনা বেচা হয় তাছাড়া বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট হোটেলেও মাশরুমের কেনা বেচা হয়। আবার আপনি নিজ উদ্যোগেই বাজারে বিক্রি করতে পারবেন প্রতি কেজি মাশরুমের দাম 200 থেকে আড়াইশো টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে । তাহলে প্রিয় পাঠক আপনি বুঝতে পারলেন মাশরুমের দাম ও্মাশরুম কোথায় বিক্রি হয় বিক্রি হয় ।

মাশরুম চাষ কি এবং বাড়িতে মাশরুম চাষঃ শেষ কথা

কে পাঠক আজকের আর্টিকেল থেকে আপনারা জানতে পারলেন মাশরুম চাষ কি এবং বাড়িতে মাশরুম চাষ কিভাবে করা যায়  আশা করছি আজকের আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আর আজকের আর্টিকেল সম্পর্কে যদি আপনাদের কোন মতামত থেকে থাকে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন এরকম আরো নতুন নতুন বিষয়ের আর্টিকেল পেতে আমাদের পেজটিকে ফলো করে রাখুন ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

তৌহিদ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url