ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত বিস্তারিত জানুন

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত ? যদি না জেনে থাকেন তাহলে আপনি সঠিক পোস্টটি পড়েছেন। আজকের পোস্টে আমরা আলোচনা করব ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত। আপনি যদি পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়েন তাহলে বুঝতে পারবেন ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত ।

পোস্ট সূচিপত্রঃ ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত বিস্তারিত জানুন 

  • ঈশ্বরদী উপজেলার বর্নানা
  • ঈশ্বরদীর দর্শনীয় স্থান
  • ঈশ্বরদী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  • ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী
  • ঈশ্বরদী লিচুর বাগান
  • ঈশ্বরদী EPZ
  • ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন
  • ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত

ঈশ্বরদী উপজেলার বর্ণনা

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন ঈশ্বরদী উপজেলা সম্পর্কে যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য । এই পোস্টটি পড়লেই জানতে পারবেন ঈশ্বরদী উপজেলা সম্পর্কে । ঈশ্বরদী উপজেলা বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের পাবনা উপজেলার আন্তরগত একটা উপজেলার ।ঈশ্বরদী উপজেলা গুরত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক প্রশাসনিক উপজেলা ।ঈশ্বরদী উপজেলাকে বলা রেলের শহর বলা হয় । ঈশ্বরদী বাংলাদেশের "এ" শ্রেণীভূক্ত উপজেলা অন্তরগত

ঈশ্বরদী উপজেলাকে বলা পাবনা জেলার প্রাণকেন্দ্র । ঈশ্বরদী উপজেলা২৪.১৫˚ উওরে ও ৮৯.০৬৬৭˚ পূর্ব অক্ষাংশে অবস্থিত একটি উপজেলা । ঈশ্বরদী উপজেলার মোট আয়তন ২৫৬.৯০ বর্গ কিলোমিটার । ঈশ্বরদী উপজেলার উত্তরে নাটোর জেলার লালপুর উপজেলা এবং বড়াইগ্রাম উপজেলা এবং ঈশ্বরদী উপজেলার দক্ষিণে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা এবং মিরপুর উপজেলা এবং পদ্মা নদী অবস্থিত। 

ঈশ্বরদী উপজেলার পূর্বে পাবনা সদর উপজেলা এবং আটঘরিয়া উপজেলা অবস্থিত । ঈশ্বরদী উপজেলার পশ্চিমে নাটোর জেলার লালপুর উপজেলা ও কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা অবস্থিত। ঈশ্বরদী উপজেলাতে ১২৩টি গ্রাম আছে এবং ০৭ টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। তাছাড়াও রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলওয়ে জংশন । 

ঈশ্বরদীর দর্শনীয় স্থান

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন ঈশ্বরদীর দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। এই পোস্টটি পড়লেই জানতে পারবেন ঈশ্বরদীর দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে । ঈশ্বরদী উপজেলা বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের পাবনা উপজেলার আন্তরগত একটা উপজেলার ।ঈশ্বরদী উপজেলায় রয়েছে বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান সেগুলো হচ্ছে । 


  • হার্ডিঞ্জ ব্রীজ
  • পাকশী ফুরফুরা শরীফ
  • রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  • লালন শাহ সেতু
  • বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণায় ইন্সটিউট (বিনা)
  • জয়নগর স্বপ্নদীপ রেসোর্ট
  • পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে অফিস
  • পাকশী রিসোর্ট
  • ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়
  • ঈশ্বরদী ইপিজেড
  • ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন
  • বাংলাদেশ  সুগারক্রপ গবেষণা ইন্সটিটিউট
  • নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস লিঃ
  • মিরকামারী লিচু উৎসব (মৌসুমি)
  • আঞ্চলিক কৃষি ও ডাল গবেষণা কেন্দ্র
  • ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল

ঈশ্বরদী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে .২০০ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় পাকশি ইউনিয়নের রুপপুর গ্রামে নির্মিত রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পদ্মা নদীর তীরে এবং হার্ডিং ব্রিজ এবং লালন শাহ নদীর পাশেই অবস্থিত।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।



 রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে ২. ৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় রূপপুর নামক একটি স্থানে নির্মিত হচ্ছে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা ২০২৪ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করবে। 

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাশিয়ার রোসাটম স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্মিত হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ১৯৬২ সালে পদ্মা নদীর তীরের উপর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই প্রকল্পের জন্য ২০৬ টি কোড এবং আবাসিক এলাকার জন্য ৩২ একর জমি অধিক গ্রহণ করা হয় ।

সবাই১৯৬১ সালে উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ চলছে আশা করা যাচ্ছে ২০২৪ সালের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২.৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে রাশিয়ার রুশ কর্মচারী এবং বাংলাদেশের কর্মচারী মিলে তৈরি হচ্ছে রুপোর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র

ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী সম্পর্কে যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য । এই পোস্টটি পড়লেই জানতে পারবেন ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী সম্পর্কে। ডাল গবেষণা কেন্দ্রটি রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় আলহাজ্ব মোড়ে উত্তরে ডাল গবেষণা ইনস্টিটিউট এবংআঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।১৯৪৬ সালে উন্নত বীজ চারা উৎপাদনের জন্য নিউকিলাস সিড মালটিফিকেশন ফার্ম প্রতিষ্টিত হয়।


১৯৬৫ সালে এটি হাটিকাসার অর্থাৎ সরিসা বীজ উৎপাদনের কেন্দ্রে হিসাবে প্রতিষ্টিত হয়। তার পর ১৯৬৯ সালে এগ্রিকালচার রিসার্চ সেন্টার হিসেবে উন্মুক্ত হয়। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে তখন বাংলাদেশের কৃষি সাহিত্য শাসন লাভ করে এবং এবং তখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত লাভ করে ।

 বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চারটি ফার্মিং রিসোর্স সাইট এস এস আর সহ সাতটি উপকেন্দ্র এবং আনর্ফাম ডিভিশন ও এফ আর ডি ২৩ টি মাল্টি লোকেশন টেস্টিং সাইট এম এল জি। রাজশাহী বিভাগের ১৬টি জেলা এই কেন্দ্রটির আওতায় রয়েছে । আঞ্চলিক কৃষি ও ও প্রধান দপ্তর হেডকোয়ার্টার অবস্থিত ১৯৯০ থেকে ১৯৯৫ সালের সি সি ডি ফেজ ওয়ানের আওতায় ১৯৯৪ সালের এই কেন্দ্রটির কার্যক্রম শুরু হয় ।

বর্তমানে এই কেন্দ্রটি ডাল গবেষণা ও ওর সরিষার ক্রমবর্ধমান চাহিদার এদেশের বিভিন্ন ডাউল ও সরিষার বীজ উৎপাদনের জন্য কেন্দ্রটি বিশেষভাবে কাজ করে আসছে। গবেষণা কেন্দ্রটি এ পর্যন্ত ২৪ এর । বেশি জাতের উদ্ভাবন করেছে এই পোস্টটি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়লেই জানতে পারবেন ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী সম্পর্কে ।

ঈশ্বরদী লিচুর বাগান

বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম লিচু উৎপাদন কেন্দ্র । ঢাকা জেলা থেকে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দূরত্ব প্রায় ১৭০ কিলোমিটার। ঈশ্বরদী উপজেলাতে রয়েছে বিশাল বিশাল বাগন। পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলাতে রয়েছে তিন হাজার হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিক লিচুর বাগান । গাছের সংখ্যা প্রায় তিন লক্ষেরও বেশি।এর মধ্যে ২ লক্ষ গাছের বয়স প্রায় ১৫ বছর লিচুকে বিবেচনা করা হয় চীনা দেশের ফল হিসাবে। 

চীনারা লিচুকে ভালোবাসা ও রোমাঞ্চকর ফল হিসেবেও বলে থাকে । চীনারায় প্রথম গবেষণা করে লিচুর জাত উদ্ভাবন করে এবং লিচু চাষ শুরু করে। বাংলাদেশের সব জায়গাতে কম বেশি কিছু হয় তবে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে দিনাজপুর, রাজশাহী ,পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে লিচু ভালো হয়। বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলা লিচুগুলো বেশি মিষ্টি হয়ে থাকে ।লিচুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম । ঈশ্বরদী উপজেলা থেকে প্রায় ৬০০ কোটি টাকারও বেশি লিচু বিক্রি করা হয়।

ঈশ্বরদী উপজেলায় যে সকল এলাকায় যে বেশি লিচু উৎপাদন হয় সেগুলো হচ্ছে। পৌর এলাকা, সলিমপু , সাহাপুর , দাশুড়িয়া , সাড়া, মুলাডুলি , জয়নগর, মানিকনগর, মিরকামারি, আওতাপাড়া, বড়ইচড়া, বাঁশের কাটা, চাঁদপুর চর, কামালপুর চর এলাকায় সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয়।ঈশ্বরদী উপজেলাতে কয়েক ধরনের লিচু উৎপাদন হয় তার মধ্যে বোম্বাই লিচু, চায়না লিচু এবং আঁটির লিচু উৎপাদন হয় । ঈশ্বরদী উপজেলার সকল স্থানে লিচুর হাট বসে সেগুলো হচ্ছে জয়নগর, হিমালতলা, আওতা পাড়া , সিলিমপুর মোড়ে কেনাবেচা হয় ।

ঈশ্বরদী EPZ

বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে অর্থাৎ রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় ঈশ্বরদী ইপিজেড অবস্থিত। ঈশ্বরদী ইপিজেড এর পূর্ণরূপ হল ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা যেটি বাংলাদেশের একটি অর্থনৈতিক এলাকা । ২০০১ সালে স্থাপিত হয় ঈশ্বরদী ইপিজেড । এর মোট আয়তন ৩০৯ একর জমি। ঈশ্বরদী ইপিজেড বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা ।
ঈশ্বরদী ইপিজেডটি ঢাকা জেলা থেকে ২২০ কিলোমিটার দূরে ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত । ঈশ্বরদী ইপিজেড থেকে সঠিক বিমানবন্দরের দূরত্ব ১০.৬০ কিলোমিটার এবং রাজশাহী বিমানবন্দর থেকে দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৮৪ কিলোমিটার মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। ঈশ্বরদী ইপিজেডে তিন ধরনের শিল্প বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলো হচ্ছে (১)শতভাগ বিদেশে পুঁজি(২) বিদেশী এবং দেশি পুজি, এবং (৩)শতভাগ দেশী পুজিঁ

জুন ২০১৮ সাল অনুযায়ী ঈশ্বরদী ইপিজেড বিনিয়োগের পরিমান প্রায় ১১২২ কোটি , রপ্তানী প্রায় ৫৬০২ কোটি টাকা। ঈশ্বরদী ইপিজেডে বিনিয়োগকারী রাষ্ট্রগুলো হল বাংলাদেশ , চীন , হংকং , ভারত , জাপান মার্শাল  ,আইল্যান্ড  ,দক্ষিণ , কোরিয়া, তুরস্ক , যুক্তরাজ্য । ঈশ্বরদী ইপিজেডকে নিয়ে বেপজার সাফল্য বিনিয়োগ হয়েছে তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার আর প্রবৃদ্ধির হার ২০১% । রপ্তানি হয়েছে ৪৫.২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রবৃদ্ধির হার ২৪৬% । 

কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ২ লাখ ৮৩৬ ২০ জন যার প্রবৃদ্ধির হার ১১৯ %, শিল্প  কারখানা হয়েছে ১৮৯ টি ও প্রবৃদ্ধি হার ৪৬%, প্রত্যক্ষ বেপজার বিনিয়োগ মোট এফ ডি আই-৩৮৩. ৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার  যা মোট জাতীয় এফ ডি আই এর ১৫.৬২% । মোট জাতীয় রপ্তানি ৭২০৮.২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট জাতীয় রপ্তানির ১৯. ৬৬% । 

রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ানে বেপজার পরিকল্পনা ছিল ক্রম পুঁজিভূত বিনিয়োগ ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার । প্রতি বছর রপ্তানি ৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ক্রমপুজিভূত কর্মসংস্থান ৭ লক্ষ জনেরও বেশি শিল্প-কারখানা ৭০০টি। বাংলাদেশের অর্থ সামাজিক উন্নয়ন ঈশ্বরদী বিজেটের ভূমিকা অন্যতম। 

ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন 

ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন বাংলাদেশের অন্যতম এবং প্রাচীন একটি রেলওয়ে জংশন। ১০০ বছরেরও বেশি সময় আগে ব্রিটিশ শাসনামল কালে বর্তমানে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় নির্মিত হয় ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন । ১৮৭৮ সালের কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি রেলপথটি দুই ভাগে বিভক্ত ছিল প্রথম ব্যক্তি ছিল পূর্ববঙ্গ রাজ্যের রেল পথ ধরে কলকাতার স্টেশন যা বর্তমানে শিলাইদা এখান থেকে পদ্মা নদীর দক্ষিন তীরের দামুকদিয়া ঘাট পর্যন্ত ১৮৫ কিলোমিটার পথযাত্রা । 

তারপর ফেরিতে করে নদী পেরীয়ে দ্বীতিয় যাত্রা শুরু হয় ।উত্তর বঙ্গের ৩৩৬  মিটার  গেজের  লাইনটি পদ্মার উত্তর তীরের সাড়াঘাটকে শিলিগুড়ি সাথে সংযুক্ত করে ছিলো। এই সময় ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন সৃষ্টি হয়েছিলো। হার্ডিং ব্রিজটি নির্মাণের সময় শাকোল সান্তাহার ভাগটি ১৯১০ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে ব্রডগেজডি এ রূপান্তিত হয় ১৯১৫ সালে হারডিং বৃষ্টি চালু হলে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাথে রেল পথে যোগাযোগ চালুর জন্য ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন  স্থপিত হয় । 

সময় স্টেশন থেকে দুই কিলোমিটার ইয়াড এবং ১৭ টি রেললাইন স্থাপন করা হয় । বর্তমানে চারটি গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ ঈশ্বরের সাথে সংযুক্ত ঈশ্বরদী - খুলনা , ঈশ্বরদী - রাজশাহী, ঈশ্বরদী - পার্বতীপুর, এবং ঈশ্বরদী - ঢাকা । ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশনে যে প্ল্যাটফর্ম দিয়েছিল সেটি দীর্ঘমেয়াদী হয়ে যাওয়ার কারণে বর্তমানে ২০২৩ সালে নতুন করে আরেকটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে ।ঈশ্বরদী রেলওয়েজংশনে বর্তমানে ১৯ টি ট্রেন একসাথে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে ।  

ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত 

ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত আজকের পোস্টটিতে আমরা আলোচনা করেছি । আজকের প্রশ্ন যদি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়েন তাহলে বুঝতে পারবেন যে সত্যি কিসের জন্য ঈশ্বরদী কিসের জন্য বিখ্যাত। আজকের পোস্টটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
2 জন কমেন্ট করেছেন ইতোমধ্যে
  • The DU Speech ✅
    The DU Speech ✅ ১১ জুন, ২০২৩ এ ৫:২৭ AM

    সুন্দর লেখা

  • Touhid IT
    Touhid IT ২৭ জুলাই, ২০২৩ এ ৯:১০ AM

    ধন্যবাদ আপনাকে

মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

তৌহিদ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url